Latest Releases

Thursday, August 25, 2016

Beauty Tricks

 বাজেট বিউটি ট্রিকস

আমার মতে শপিং এর সবচেয়ে কঠিন অংশটা হচ্ছে বাজেট। যতো চেষ্টাই করি না কেন কীভাবে যেন হিসাবটা একটু এদিক ওদিক হয়েই যায়। আর প্রসাধনীর ব্যাপারে তো কথাই নেই, কতবার এমনটা হয়েছে যে এমন কিছু কিনে ফেলেছি যা হয়তো কখনো ব্যবহারই করা হয়নি অথবা খুব সাশ্রয়ী প্রডাক্টে যা করা যেত তার জন্য অনেক বেশি দামের কোন প্রডাক্ট কিনে ফেলেছি। কিন্তু আমি নিশ্চিত যে আমি একা নই, এমন সমস্যায়  আমার মত আর অনেকেই পড়েন। তো এমন সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে রয়েছে কিছু প্রমাণিত উপায়, এগুলোর প্রায় সবই আমার প্রতিনীয়ত কাজে লাগে। দেখুন এখানে কোন টিপসটি আপনার সমস্যার সমাধান দিতে পারে, অথবা খরচটা কমিয়ে আনতে একটু সাহায্য করে।
  • মাশকারাটা শুকিয়ে গেছে? আগেই নতুন একটা কেনার চিন্তা করবেন না। টিউবটা গরম পানিতে একটু ডুবিয়ে রাখুন, অথবা হেয়ার ড্রায়ার এর গরম বাতাসে রাখুন। আরও কিছুদিন ব্যবহার করতে পারবেন ওটা।
  • আপনি অনেক সেটিং স্প্রে ব্যবহার করেছেন। এখন ডামেজড, জট বাঁধা চুল ও ত্বক বাঁচাতে CLARIFYING SHAMPOO র পেছনে টাকা খরচ না করে বেকিং সোডা ব্যবহার করুন। এক কাপ পানিতে দুই চামচ সোডা মিশিয়ে শ্যাম্পুর পর মাথায় দিন, দুই মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। প্রডাক্ট বিল্ড আপ চলে যাবে।
  • টুথ পেস্টের উপর একটু বেকিং সোডা ছড়িয়ে নিন। এবার ব্রাশ করুন। দামি হোয়াইটেনিং ট্রিটমেন্টের মতই কাজ দেবে। একবার ব্যবহার করলেই তফাৎটা বুঝতে পারবেন।
  • দামি হেয়ার সিরাম এর বদলে ব্যবহার করুন ভিনেগার। শ্যাম্পুর পর এক মগ পানিতে দুই টেবিল চামচ ভিনেগার মিশিয়ে ব্যবহার করলে শাইন সিরামের দরকারই পড়বে না।
  • দামি আই মেকাপ রিমুভারের বদলে ব্যবহার করতে পারেন বেবি শ্যাম্পু ‘নো মোর টিআরস’ ফর্মুলা। জেদি জেল লাইনার ও তুলে ফেলার ক্ষমতা এর আছে।
  • সাধের নেলপলিসটা শুকিয়ে গেছে? একটু নেলপলিস রিমুভার বোতলে ঢেলে দিন। এবার জোরে ঝাঁকান। ব্যাস, আবার নতুনের মতোই হয়ে যাবে।
  • একদিনের জন্য স্মোকি আই ট্রাই করবেন, কিন্তু কালো আই শাডো নেই। তো কী হয়েছে? কালো পেনসিল আইলাইনারটাকে ভ্যাসলিন দিয়ে একটু স্মাজ করে নিন। পেয়ে যাবেন কাঙ্ক্ষিত লুক।
  • ঘুমাতে যাবার আগে দুই হাতে, বিশেষ করে নখে ও কিউটিকলে ভালো করে ভ্যাসলিন লাগিয়ে ঘুমান। হ্যান্ড ক্রিম বা কিউটিকল অয়েল, কোনটারই আর দরকার হবে না।
  • দামি ফেসিয়াল টোনার এর পেছনে টাকা খরচ করার বদলে বরং গোলাপ জল ব্যবহার করুন। অনেক বেশি কাজে দেবে।
  • লিপস্টিকটাকেই ব্লাশ হিশেবে ব্যবহার করুন। টিউব থেকে সামান্য আঙুলে নিয়ে TAP করে চিক বোনে বসিয়ে নিন ঠিক ক্রিম ব্লাশের মত করে। এতে একেক লিপ কালারের সাথে একেক ধরনের ব্লাশ কেনার খরচটা বেঁচে যাবে।
  • ত্বকের জন্য আলাদা মেকাপ রিমুভার না কিনে সমপরিমাণ তিলের তেল আর অলিভ অয়েল একটা বোতলে মিশিয়ে রেখে দিন। ওটাই ব্যবহার করুন। মেকাপ রিমুভারের চেয়ে ভালোই কাজ করবে।
  • আই লাইনার, লিপ লাইনার কিছুদিন পরেই শুকিয়ে যাচ্ছে? ফ্রিজে রেখে দিন। অনেকদিন পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন।
  • ফাউন্ডেশান ব্যবহার করার জন্য STIPPLING BRUSH অথবা ভালো মানের BEAUTY BLENDER ব্যবহার করুন। কম দামি স্পঞ্জ বা FLAT FOUNDATION BRUSH যতটা না প্রডাক্ট ত্বকে ডেলিভার করে তার চাইতে বেশি শুষে নেয়। এতে দামি প্রডাক্ট অপচয় হয়। তাই একবার ভালো মানের BRUSH অথবা  BEAUTY BLENDER এ INVEST করে অনেকদিন ধরে খরচ বাঁচাতে পারবেন।
  • বিবি ক্রিম, সিসি ক্রিম ব্যবহার করলে আঙুল দিয়েই ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এগুলো এতই তরল যে স্পঞ্জ বা ব্রাশ এগুলো শুষে নেবেই। আর অনেক অপচয় হয়ে যাবে।
  • বিবি ক্রিম শেষ হয়ে গেছে? কোন চিন্তা নেই,ফাউণ্ডেশানের সাথে কয়েক ফোঁটা ময়েশ্চারাইজার মিশিয়ে ব্যবহার করুন। বিবি ক্রিমের মতই ন্যাচারাল কাভারেজ পাবেন।
উপরের পদ্ধতিগুলো ট্রাই করে দেখতে পারেন। দেখবেন কত অপ্রয়োজনীয় খরচ থেকে বাঁচতে পারছেন।

Read »

Tricks Of Using Eye Shadow...

 আইশ্যাডো ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে ৫ টি ভুল এড়িয়ে চলবেন

নারীরা একটু আধটু সাজগোজ না করলেই নয়, বিশেষ করে যদি পার্টি বা উৎসবের অনুষ্ঠান হয়। আর পুরো মেকআপ আইশ্যাডো ছাড়া একেবারেই অপূর্ণ। কিন্তু যারা পার্লারে না গিয়ে নিজে নিজে সাজগোজ করেন তারা আইশ্যাডো লাগাতে গিয়ে একটু ভুল করে ফেলেন যার কারণে পুরো মেকআপই নষ্ট হয়ে যায়। তাই জেনে নিন আইশ্যাডো ব্যবহারের সময় এড়িয়ে চলা উচিত যে ভুলগুলো।
১) ভালো করে ব্লেন্ড না করাঃ
আইশ্যাডো যদি ভালো করে ব্লেন্ড না কর হয় তাহলে তা চোখের পাতায় ভেসে থাকে যা দেখতে বেশ বিশ্রী দেখায়। বিশেষ করে যদি ২/৩ টি রঙের আইশ্যাডো ব্যবহার করে ভালো করে ব্লেন্ড না করা হয় তাহলে তা আলাদা করে বোঝা যায় যা পুরো মেকআপ নষ্ট করে দেয়। সুতরাং আইশ্যাডো ব্লেন্ড করার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।
২) আইশ্যাডো প্যালেটের ছোট্ট ব্রাশ দিয়ে ব্লেন্ড করাঃ
আইশ্যাডো প্যালেট কিনলে তার সাথে ছোট্ট ব্রাশ পাওয়া যায়। এটি মূলত আইশ্যাডো লাগানোর ব্রাশ। অনেকে এই ব্রাশ দিয়েই ব্লেন্ড করার মতো ভুলটি করে থাকেন। এই কাজটি করবেন না। আইশ্যাডো ব্লেন্ডার ব্রাশ দিয়েই ব্লেন্ড করুন। এতে করে পারফেক্ট ভাবে ব্লেন্ড করতে পারবেন।
৩) আইশ্যাডো ব্যবহারের আগে কনসিলার লাগানোঃ
অনেকেই ডিম আগে না মুরগী আগের মতো আইশ্যাডো আগে না কনসিলার আগে ব্যাপারটির মধ্যে গণ্ডগোল করে ফেলেন ফলে আইশ্যাডো সঠিকভাবে লাগানো হয় না। তাই মনে রাখুন, প্রথমে আইশ্যাডো লাগিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন এবং তার পর কনসিলার ব্যবহার করুন।
৪) চোখের নিচের পাতায় বেশি আইশ্যাডোর ব্যবহারঃ
চোখের নিচের পাতায় অনেকেই বেশ গাঢ় করে এবং মোটা করে আইশ্যাডো ব্যবহার করেন যার ফলে আপনাকে অনেক ক্লান্ত দেখায়। চোখের নিচের পাতায় শুধুমাত্র চোখের পাপড়ির কোল ঘেঁষে হালকা করে আইশ্যাডো দিন।
৫) চোখের রঙের সাথে মিলিয়ে আইশ্যাডো দেয়াঃ
অনেকেই পছন্দের রঙের লেন্স পড়ে লেন্সের রঙের সাথে মিলিয়ে চোখে আইশ্যাডো দিয়ে থাকেন যা সম্পূর্ণ ভুল। নিয়ম অনুযায়ী চোখের রঙের উল্টো রঙটিই আইশ্যাডো দেয়া উচিত নতুবা মেকআপ ভালো দেখাবে না।

Read »

Eye Shadow Palet-Costal Sents Smoki Palet...

 আইশ্যাডো প্যালেট-কোস্টাল সেন্টস স্মোকি প্যালেট

কেমন আছেন সবাই? নিশ্চয়ই ভালো। আজকে একটি  রিভিউ দেবো কোস্টাল সেন্টস ব্র্যান্ডের জনপ্রিয় প্যালেট গুলোর মধ্যে একটি প্যালেটের।আশা করি পোস্টটি আপনাদের ভালো লাগবে। এটি কোস্টাল সেন্টস ৩৬ কালার স্মোকি প্যালেট। গত কয়েক বছরে স্মোকি আই অনেক জনপ্রিয় হওয়ার কারণেই এমন একটি প্যালেট এর কথা চিন্তা করে কোস্টাল সেন্টস। স্মোকি লুকের জন্য ব্যাসিক বেশ কিছু কালার সহ মোট ৩৬ টি কালারের এই আই শ্যাডো প্যালেটটি সত্যিই সংগ্রহে রাখার মতো।
প্যালেটটির কালার গুলো ৬ টি সেকশন রয়েছে। কালারগুলো দেখলেই মোটামুটি আন্দাজ করতে পারা যায় সেটা। প্রথম সেকশনে রয়েছে গোল্ডেন অরেঞ্জ, ব্রাউন, কপার সহ নিউট্রাল কিছু কালার, যা দিয়ে ন্যাচরাল স্মোকি লুক করা যাবে। Transition কালার হিসেবে ইউজ করা যাবে এমন কিছু কালারও রয়েছে এতে।  টেক্সচারও খুব ভালো।
দ্বিতীয় সেকশনে রয়েছে সবুজের কিছু শেড। কালারগুলো বেশ ভালো, তবে সবুজ শেডের মধ্যে ২-৩ টি কালারের পিগমেনটেশন একটু কম মনে হয়েছে আমার। এই সেকশনের কালচে খয়েরি রঙটা স্মোকি লুকের জন্য অনিবার্য, তাই এই প্যালেটে আমার প্রিয় শেড গুলোর মধ্যে এটা একটা।
তৃতীয় সেকশনে আছে পার্পলের দারুণ কয়েকটা শেড। ম্যাট শেডের কালারগুলো একটার চেয়ে একটা সুন্দর। সফট ল্যাভেন্ডার সহ প্যাস্টেল শেডের কালার রয়েছে এতে। আমার ইয়েলো আন্ডার টোন স্কিনে বেগুনি রঙটা খুব সুন্দর মানিয়ে যায় বলে আমার প্রিয় সেকশন এটা।
চতুর্থ সেকশনে রয়েছে কালো, ধূসর, রুপালি রঙের শেড। হাইলাইট করার জন্য শিমারি এই কালার গুলো আদর্শ। এই সেকশনের শেড গুলো সুন্দর ভাবে বসানোর জন্য আই প্রাইমার ইউজ করা জরুরী। স্মোকি আইয়ের সব চেয়ে কমন লুক করা যাবে এই সেকশন দিয়ে।
পঞ্চম সেকশনে রয়েছে নীলের বেশ সুন্দর কিছু শেড। হালকা গাঢ়, ম্যাট আর শিমারি কালারের মিশ্রণে এই সেকশনটিও আমার বেশ পছন্দের। গাঢ় নীল রঙটি রাতের সাজে বেশ মানায় বলে এটিও আমার প্রিয় শেড। তবে কিছু শেড পাউডারি লেগেছে আমার কাছে।
ষষ্ঠ আর শেষ সেকশনে রয়েছে হালকা আর গাঢ় রঙ মিলিয়ে মোট ৫ টি গোলাপি রঙের শেড আর একটা কালো শেড। সেমি ম্যাট আর শিমারি কালার রয়েছে এতে। আর কালো শেড দুটো থাকায় সুবিধা হয়েছে কারণ স্মোকি আইয়ে কালো শেড সবচেয়ে বেশি ইউজ হয়ে থাকে; তাই তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে। সেক্ষেত্রে একটা শেষ হয়ে গেলে আরেকটা ইউজ করা যায়। ব্রাইট কালার ইউজ করে কোন লুক করতে চাইলে এই সেকশনের কালারগুলো কাজে আসবে।
শেডগুলো দিয়ে যে শুধু স্মোকি লুকই করতে হবে, তা না। বরং এগুলো তে গ্রিন, পিঙ্ক, পার্পল আর ব্লু কালার দিয়ে ব্রাইট আর বোল্ড লুক ও করা যায়।
এই আইশ্যাডো প্যালেটের যেসব দিক আপনার ভালো লাগবে-
  • প্যাকেজিংটা বেশ সুবিধাজনক, ছোট আর স্মার্ট
  • ম্যাট, শিমারি সব ধরনের শেড আছে
  • ব্রাও বোন হাইলাইটের জন্য শেডগুলো চমৎকার
  • সাদা আই বেইজ ব্যবহার করলে কালারগুলো আরও সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে
  • পিগমেনটেশন খুব ভালো
  • স্মোকি লুকের জন্য এই কালারগুলো বেশি ব্যবহার হয়
  • দিনে আর রাতে ব্যবহারের জন্য হালকা-গাঢ় সব শেডই আছে
খারাপ লাগার মতো তেমন কিছু আশা করি পাবেন না, কয়েকটা শেড একটু চকি আর পাউডারি মনে হয়েছে ঠিকই, কিন্তু একটু ক্রিমি আই বেইজ আর আই প্রাইমার ইউজ করলে সেটা কাভার করা যায়। তবে একটা আয়না প্যালেটটির সাথে অ্যাটাচ করা থাকলে হয়ত আরও বেশি ভালো হতে পারতো। তবে এই ছোট খাটো ব্যাপারগুলো বাদ দিলে প্যালেটটি বেশ উপযোগী; বিশেষ করে তাদের জন্য যারা নতুন নতুন মেকাপ করা শুরু করেছেন আর একটা ভালো আইশ্যাডো প্যালেটের খোঁজ করছেন তাদের জন্য।
কোস্টাল সেন্টস এর ওয়েব সাইট থেকে সরাসরি অর্ডার করতে পারবেন। আর দেশে যমুনা ফিউচার পার্কের Sapphire এ আসলেও পেয়ে যাবেন এই দারুন প্যালেটটি। দাম পড়বে ২৯২০ টাকা। চাইলে তাদের ফেসবুক পেজ থেকে অনলাইনে অর্ডার করেও পেতে পারেন।

Read »

Some Tips Of Makeup

 মেকআপের কিছু অজানা টিপস

যে কোনো উৎসব কিংবা অনুষ্ঠানে সুন্দর লুকের জন্য পার্লারে গিয়ে সাজার চেয়ে নিজে সাজা অনেক ভাল।মেকআপ ব্যবহারে পরিমিত সাজেই আপনি হয়ে উঠবেন অনন্যা। মেকআপের ক্ষেত্রে শুরুতেই ফাউন্ডেশন যেমন অপরিহার্য, তেমনি ত্বকের সঙ্গে মিলিয়ে সঠিক মেকআপ প্রয়োজন। মনে রাখবেন, নিজে নিজেই সাজ মানে একগাদা মেকআপ ব্যবহার করা নয়। মেকআপ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন কিছু অনুশীলন আর সতর্কতা অবলম্বন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই চারটি মূল বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সেগুলো হলো ত্বকের ধরন, পছন্দসই কভারেজ, ত্বকের রং ও বর্ণ।
আপনার ত্বক যদি বেশ উজ্জ্বল হয়ে থাকে তাহলে কোনো ধরনের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করার দরকার নেই। এর জন্য শুধু চোখের নিচে কনসিলার ব্যবহার করুন। পাশাপাশি চোখের শ্যাডোর সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতা ঠিক করে নিন।
* মেকআপ করার আগে মুখের ত্বককে পরিষ্কার এবং ময়েশ্চারাইজ করে নিন। এতে করে মেকআপটি ত্বকে ভালোভাবে বসে যাবে এবং বেশ কমনীয় ও নমনীয় দেখাবে। ব্রোনজার মুখের মেকআপে এক ধরনের গ্লামার নিয়ে আসে। এটি কপালে এবং গালে ব্যবহার করলে একটি গ্লামারাস লুক তৈরি করে।
* ত্বকের কালার টোন বুঝে সঠিক ফাউন্ডেশনটি ব্যবহার করুন। ফাউন্ডেশনের গায়ে স্কিন টোন অনুযায়ী নম্বর দেওয়া আছে। এ নিয়মটিকে অনুসরণ করুন। তাহলে মেকআপটি আপনার ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মিশে যাবে।
* স্কিনের টোন অনুযায়ী মুখের মেকআপ গাঢ় করুন। এতে করে মেকআপটি বেশ উজ্জ্বল হবে। কখনোই নিজের ত্বকের চেয়ে হালকা রঙের মেকআপ নির্বাচন করবেন না। যদি দ্বিধায় পড়ে যান, তাহলে কাছাকাছি হালকা ও গাঢ় দুটি রংই নিন এবং কাঙ্ক্ষিত রং পেতে ব্যবহারের সময় দুটো মিশিয়ে ব্যবহার করুন।
* ঠোঁটের মেকআপটি ন্যাচারাল করলে ভালো দেখাবে। যেমন- ত্বকের রংয়ের সঙ্গে যায় এমন রংয়ের লিপস্টিক ব্যবহার করুন। ফর্সাদের উজ্জ্বল রঙে বেশ ভালো মানিয়ে যায়। পার্টি মেকআপে অবশ্যই উজ্জ্বল লিপস্টিক ব্যবহার করুন। তবে গায়ের রংটাও মাথায় রাখতে ভুলবেন না যেন।
* ফ্রেশ এবং তারুণ্যতা ফুটিয়ে তুলতে চোখে জেল লাইনার ব্যবহার করতে পারেন। এটি চোখের মেকআপটিকে প্রাণবন্ত করে তুলবে। অন্যের কথার চেয়ে নিজের দৃষ্টির ওপর ভরসা করুন। মেকআপের জন্য যে রংটি আপনার কাছে ত্বকের সঙ্গে সবচেয়ে মানানসই লাগে, সেটিই বাছুন।
* মুখের সৌন্দর্য অনেকটাই নির্ভর করে আইব্রোর ওপর। মেকআপে আইব্রো অাঁকার সময় শেষটা কখনোই হঠাৎ করে করা যাবে না। এতে আপনাকে অনেক বেশি বয়স্ক দেখাবে। এ জন্য আইব্রোর শেষ পর্যন্ত এঁকে সঙ্গে সঙ্গে আরও একটু বাড়িয়ে নিন হালকা করে। তাহলে চেহারায় বেশ একটা শার্পনেস চলে আসবে।
* ফটোগ্রাফিক লুক আনার জন্য মেকআপটিতে হাইলাইটস ব্যবহার করুন। আইব্রোর নিচে এবং নাকের মাঝখানে হাইলাইটস ব্যবহার করলে মুখের আকৃতি শার্প হবে। ফলে ছবি ভালো আসবে।
* চোখের ক্লান্তিভাব দূর করতে বেগুনি এবং সবুজ লাইনার ব্যবহার করতে পারেন। চোখের সাজে শ্যাম্পেন কালারড আইশ্যাডো লাগান। চোখের ওপরের পাতায় মোটা রেখায় কালো আইলাইনার লাগান। চোখের নিচের পাতায় কাজল দিয়ে রেখা টানুন। ঘন করে মাশকারা লাগান চোখের পাপড়িতে।

Read »

Different Types Of Makeup Brush And Usages...

 বিভিন্ন ধরনের মেকআপ স্পঞ্জ ও এদের সঠিক ব্যবহার

সুন্দর মেকাপের জন্য যেমন ভালো ব্র্যান্ডের ভালো মানের প্রোডাক্ট ত্বকের সাথে মিল রেখে কেনাটা জরুরি, তেমনি জরুরি মেকাপ অ্যাপ্লিকেশনের সরঞ্জাম গুলো প্রয়োজন বুঝে কেনা ও তার সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে জানা। তাই আজকের আর্টিকেলে আমি আপনাদের জানাবো বিভিন্ন ধরনের মেকাপ স্পঞ্জ ও এদের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে। মেকাপ স্পঞ্জ মুখে এতো ন্যাচারাল ফিনিশ দেয় আর স্কিনে প্রোডাক্ট এত ভালোভাবে সেট করে ফেলে যে আমি সবসময়য়ই বেস মেকাপের জন্য স্পঞ্জই ব্যবহার করি। স্পেশালি গরমের সময় দীর্ঘস্থায়ী মেকাপ আর ফ্ললেস ফিনিশের জন্য স্পঞ্জের কোন বিকল্প নেই। যারা ঠিক ভাবে জানেন না মেকাপ স্পঞ্জ সম্পর্কে তারা আসুন দেখে নিন মেকাপের এই মিরাকল টুলের ব্যবহার।
বিভিন্ন ধরনের মেকআপ স্পঞ্জ ও এদের সঠিক ব্যবহার-
চলুন শুরু করা যাক এযুগের মেকাপ স্পঞ্জ দুনিয়ার ‘আল্টিমেট ডিভা’- কে দিয়ে-
বিউটি ব্লেন্ড স্পঞ্জঃ
সব বিউটি ব্লগার আর মেকাপ আর্টিস্ট এই বিউটি ব্লেন্ডার স্পঞ্জের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এই স্পঞ্জ আপনার ফাউনডেশন কে দেয় একদম ফ্ললেস ফিনিশ আর এর ব্যবহার এতো সহজ যে একদম মেকাপে বিগিনাররাও এটা দিয়ে প্রফেসনাল ফিনিশের বেস তৈরি করতে পারে। খুব কমপ্যাক্ট হওয়ায় এতে প্রোডাক্ট ওয়েসটেজ হয় না বলে লিকুইড মেকাপের ক্ষেত্রে এই স্পঞ্জ সুপারস্টার। বিউটি ব্লেন্ডার আর রিয়াল টেকনিকের মিরাকল কমপ্লেকশন স্পঞ্জ ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
beauty blend
এটা দিয়ে যা যা ব্যবহার করা যায় –
  • লিকুইড ফাউনডেশন
  • ক্রিম ফাউনডেশন
  • কন্সিলার
  • লিকুইড ব্লাশ
বেনিফিট-
  • খুব ভারী ফাউনডেশনকে হালকা ওজনের করে নেবার জন্য
  • স্মুথ, ফ্ললেস মেকাপ বেস পাবার জন্য
  • প্রোডাক্ট ওয়েসটেজ কমানোর জন্য
  • এর  তীক্ষ্ণ কোণা মুখের জটিল অংশ গুলোতেও পারফেক্টলি প্রোডাক্ট পৌঁছে দিতে পারে
কটন পাউডার পাফঃ
pic2
কটন পাউডার পাফ সাধারণত লুজ পাউডারের ইজি এপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহার করা হয়। এই পাফ মুখে বড় অংশ অল্প সময়ে কাভার করে। অরগ্যানিক কটন ফাইবারে তৈরি এই স্পঞ্জ খুবই নরম আর কোমল হয়। তাই এটা সেনসিটিভ স্কিনের জন্য বেশ ভালো হয়। এর দাম বেশ কম আর সহজেই মার্কেটে পাওয়া যায়।
এটা দিয়ে যা যা ব্যবহার করা যায় –
  • লুজ পাউডার
বেনিফিট-
  • খুব কম সময়ে মুখের বড় অংশে লুজ পাউডার অ্যাপ্লাই করা যায়।
  • সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারীদের জন্য বেস্ট।
  • অনেক দিন ধরে ব্যবহার করা যায়।
কমপ্যাক্ট পাউডার পাফঃ
compact
বাজারের মোটামুটি সব কমপ্যাক্টই এই সিক্রেট ওয়াপন সহ আসে। এটা গোলাকৃতি হয় এবং কমপ্যাক্ট আপ্লাই করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটা নিয়মিত ধুয়ে পরিষ্কার করে রাখা জরুরী, নয়ত মুখে ব্রণের মত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
এটা দিয়ে যা যা ব্যবহার করা যায় –
  • প্রেসড পাউডার
  • লুজ পাউডার
বেনিফিট-
  • স্কিনে খুব ম্যাট ফিনিশ দেয়
  • এপ্লিকেশনের উপর কন্ট্রোল থাকে।
  • ইভেন কভারেজ দেয়
  • মেকাপ দীর্ঘস্থায়ী করে
কণ্টুরিং স্পঞ্জঃ
contouring
মুখের কঠিন কঠিন জায়গায় প্রোডাক্ট পৌঁছে কনট্যুর করে চেহারার ধাঁচ আর ফিচারের বিভিন্ন খুঁত ঢেকে ফেলায় এর কোন তুলনা নেই। এই স্পঞ্জ গুলি সাধারণত টিয়ার শেপড বা এগ শেপড হয়।(ছবির মত)
এটা দিয়ে যা যা ব্যবহার করা যায় –
  • হাইলাইটার
  • ব্রোঞ্জার
  • লিকুইড আর ক্রিম দুই ধরনের প্রডাক্টই ব্যবহার করা যায়
বেনিফিট-
  • গাঢ় শেডের ব্রোঞ্জারের রঙ হালকা করা যায়
  • খুব কম সময়ে প্রোডাক্ট ব্লেনড করা যায়
কসমেটিক স্পঞ্জঃ
cosmetic
যারা পার্লারে মেকাপ করেছেন তারা নিশ্চয়ই এই স্পঞ্জ দেখেছেন? খুব কমদামি এই স্পঞ্জ চলে বহুদিন। যেকোনো মেকাপ যেমন ক্রিম, লিকুইড প্যানকেক বাবহারের জন্য এটা ব্যবহার করা যায়। আর খুব সহজে কসমেটিক শপে পাওয়াও যায়।
এটা দিয়ে যা যা ব্যবহার করা যায় –
  • ক্রিম, লিকুইড প্যানকেক ফাউনডেশন
  • পাউডার প্রোডাক্টস
বেনিফিট-
  • ড্রাই আর ওয়েট দুই ধরনের অ্যাপ্লিকেশনেই ব্যবহার করা যায়
  • স্পঞ্জ প্রোডাক্টের এক্সেস লিকুইড শুষে নেয়
  • ফুল কাভারেজ বেস মেকাপের জন্য সবচেয়ে ভালো
  • লেয়ারিঙের পরেও মেকাপ কেকি লাগে না।
কসমেটিক ওয়েজঃ
cosmetic w
অনেকেই হয়ত আজকাল বড় বড় সুপারশপে এই কসমেটিক ওয়েজ বিক্রি হতে দেখে থাকবেন। এই ওয়েজ শেপড স্পঞ্জ মেকাপ আর্টিস্টদের মাঝে ফুল কাভারেজ বেস মেকাপ তৈরির জন্য বেশ পপুলার। এটা ল্যাটেক্স দিয়ে তৈরি হয়ে থাকে। এর কাট ও শেপ মুখের সব অংশে হেভি ফাউনডেশন পৌঁছে দিতে পারে।
এটা দিয়ে যা যা ব্যবহার করা যায় –
  • লিকুইড , ক্রিম ফাউনডেশন
  • ইলুমিনেটর
  • কন্সিলার দিয়ে ডার্ক সারকেল কাভার করা
বেনিফিট-
  • ওয়েজ স্পঞ্জ খুবি কম প্রোডাক্ট শুষে নেয়, ব্যবহারে সাশ্রয়ী
  • মুখের সবজায়গায় ব্যবহার করা যায়
  • ফুল কাভারেজ দিতে পারে।
সেলুলোজ ক্লিন্সিং স্পঞ্জঃ
cel
আজকাল ত্বক পরিষ্কার করা বা স্ক্রাব করার জন্নই অনেকেই সেলুলোজ স্পঞ্জ ব্যবহার করে থাকেন। ন্যাচারাল বৃক্ষ তন্তু থেকে তৈরি হওয়া এই স্পঞ্জ খুব কোমল ভাবে ত্বকের ডেড সেলস দূর করে ফেলে। এটা দুই দিক থেকেই ইউজ করা যায়। ভারী মেকাপ তলা আর ত্বক ভেতর থেকে পরিষ্কার করার জন্য এর কোন জুরি নেই।
বেনিফিট-
  • সহজেই ভারী মেকাপ তুলে ফেলতে সক্ষম
  • রোমকূপের ভেতর পর্যন্ত পরিষ্কার রাখে
  • সেনসিটিভ স্কিনের জন্য পারফেক্ট স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে।
বোনাস টিপ্সঃ
  • মেকাপ স্পঞ্জ সবসময় ধুয়ে পরিষ্কার জীবাণুমুক্ত রাখুন, এতে স্পঞ্জ আর আপনার ত্বক দুইই ভালো থাকবে।
  • আপনার স্পঞ্জের শেপ যদি বদলে যায় বা স্মেল আসে তবে সাথে সাথে স্পঞ্জ চেঞ্জ করুন।
  • সবসময় স্পঞ্জ ব্যবহার করার আগে পানিতে ভিজিয়ে চেপে পানি বের করে নিন। স্পঞ্জ ভেজা থাকবে কিন্তু পানি থাকবে না। এতে বেস ফিনিশ ভালো হবে।
  • স্পঞ্জ থেকে জেদি মেকাপের দাগ দূর করতে বেবি অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

Read »

How To Use Blashon...

 কিভাবে ব্লাশন ব্যবহার করবেন

অফিস, মিটিং বা কোনো ডিনার পার্টিতে যাবেন। অথচ সাজগোজের জন্য আপনার হাতে একদম সময় নেই। কী করবেন? মেকআপের একটি উপকরণ আপনাকে দিতে পারে সমাধান। তা হলো ব্লাশন। এ রকম মুহূর্তে ত্বকের ন্যাচারাল টোনের সঙ্গে মিলিয়ে গাল রাঙিয়ে নিন গোলাপি বা চেরি রঙা ব্লাশন দিয়ে।
ব্লাশ নিস্তেজ, নিষ্প্রাণ ত্বককে করে তোলে দীপ্তিময়। ভিন্ন ভিন্ন ত্বকের জন্য বল্গাশনের ধরনও ভিন্ন হয়ে থাকে। সাধারণত বাজারে পাউডার, ক্রিম, লিকুইড ও জেলরূপে ব্লাশন পাওয়া যায়। যাদের গায়ের রঙ ফর্সা তারা ব্যবহার করতে পারেন গোলাপি, অ্যাপ্রিকট রঙের ব্লাশন। যারা একটু শ্যামবর্ণ, তারা ব্লাশনে গাঢ় শেড ব্যবহার করবেন।
পাউডার ব্লাশন
সব ধরনের ত্বকের জন্যই পাউডার ব্লাশন উপযোগী। এটি ত্বকে ম্যাট ফিনিশিং দেয়। তবে যাদের ত্বক তৈলাক্ত তাদের জন্য অধিক কার্যকর।
যেভাবে লাগাবেন
সাধারণত পাউডার ব্লাশনের সঙ্গে ছোট ও কম ব্রিসলযুক্ত ব্রাশ পাওয়া যায়। এ ধরনের ব্রাশ ব্লাশন লাগানোর জন্য মোটেও উপযুক্ত নয়। পাউডার ব্লাশন লাগাতে ঘন ও মোলায়েম ব্রিসলের মোটা ব্লাশন ব্রাশ ব্যবহার করুন। ব্লাশন লাগানোর সময় আয়নার সামনে হাসুন। হাসলে গালের যে অংশ ফুলে ওঠে তাকে অ্যাপল বলে। সার্কুলার মোশনে গালের অ্যাপলে ব্লাশন লাগান। তৈলাক্ত ত্বকে ব্লাশন ব্যবহারের আগে সামান্য লুজ পাউডার লাগাতে পারেন।
ক্রিম ব্লাশন
ময়েশ্চারাইজার থাকায় সাধারণত যাদের ত্বক শুষ্ক তাদের জন্য ক্রিম ব্লাশন উপযোগী।
যেভাবে লাগাবেন
গালের অ্যাপলে ছোট ছোট ডটের মতো ব্লাশন লাগান। আঙ্গুলের ডগা দিয়ে সার্কুলার মোশনে ব্লেন্ড করুন। ম্যাট ফিনিশ দিতে চাইলে ক্রিম ব্লাশন লাগানোর পর সামান্য পাউডার ব্লাশন লাগাতে পারেন।
লিকুইড ও জেল ব্লাশন
কোনো রকম টাচআপ ছাড়া যারা দীর্ঘ সময় গালের ব্লাশের রঙ ধরে রাখতে চান তাদের জন্যই লিকুইড বা জেল ব্লাশন। ওয়াটারপ্রুফ এ ব্লাশন স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকের জন্য উপযুক্ত। তবে, শুষ্ক ত্বকে এ ধরনের ব্লাশন ব্যবহার না করাই ভালো।
যেভাবে লাগাবেন
 http://kissskincarebd.blogspot.com
হাতের আঙ্গুলের ডগায় নিয়ে গালের অ্যাপলে সার্কুলার মোশনে ব্লাশন লাগিয়ে নিন। দ্রুত লাগান, কারণ এ ব্লাশন সহজেই শুকিয়ে যায়। আর শুকিয়ে গেলে পানি বা ক্লিনজার ছাড়া ব্লাশন তোলা সম্ভব নয়। লিকুইড বা জেল ব্লাশন লাগানোর আগে প্রাইমার বা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে হবে। কিন্তু পাউডার লাগানো চলবে না।
মুখের গড়ন অনুযায়ী ব্লাশন
মুখের গড়ন অনুযায়ী ব্লাশন লাগানোটা খুবই জরুরী। ডিম্বাকৃতির মুখে দিনের বেলায় গালের অ্যাপলে ব্লাশন লাগান। রাতে গালের অ্যাপল ছাড়াও নাকের ওপরে সামান্য ব্লাশন হালকা করে লাগাতে পারেন। হার্ট শেপের মুখে অ্যাপলের ঠিক নিচে চোয়ালের হাড় বরাবর ব্লাশন লাগান। গোলাকৃতির মুখে চিকবোন ও চোয়ালের মাঝে উজ্জ্বল রঙের ব্লাশন লাগান। লম্বাকৃতির মুখে গালের অ্যাপল থেকে কান বরাবর ব্লাশন লাগান।

Read »

Get Attractive Looks...

 ন্যাচারাল মেকআপে অ্যাট্রাক্টিভ লুকস্‌ পেতে হলে

বিয়ে বা অনুষ্ঠানে জমকালো আর ভারী সাজতো লাগবেই। এর মাঝেও নিজের স্বাভাবিক সৌন্দর্য যেন না হারায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কিভাভে ন্যাচারাল মেকাপেও নিজের অ্যাট্রাক্টিভ লুকস্‌ ফুটিয়ে তুলবেন তা জানতে বিউটি এক্সপার্টের পরামর্শ দেখুন।
—বেইজ মেইকআপের ক্ষেত্রে ভারী ফাউন্ডেশন যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। দিনের বেলা ম্যাট ফাউন্ডেশন দিয়ে বেইজ করা ভালো।
—ত্বক তৈলাক্ত হলে প্রথমে সারা মুখে লুজ পাউডার লাগিয়ে তারপর ফাউন্ডেশন লাগাতে হবে। এতে মেইকআপ দীর্ঘস্থায়ী হবে। ত্বক যা-ই হোক, কমপ্যাক্ট পাউডার দিয়ে বেইজ মেইকআপ শেষ করা ভালো।
—রাতের সাজে তৈলাক্ত ত্বকে দিন ‘লিকুইড ফাউন্ডেশন’। আর শুষ্ক ত্বকে ‘ক্রিম ফাউন্ডেশন’। তারপর প্যানকেক।
—জমকালো আর ভারী সাজেই কেবল প্যানকেক মানানসই। সাধারণত হলুদ আর গোলাপি এই দু’টি রংয়ের প্যানকেক ব্যবহৃত হয়। প্রথমে হলুদ প্যানকেক দিয়ে তারপর ত্বকের রংয়ের সঙ্গে মিলিয়ে গোলাপি শেইডের প্যানকেক দিন।
—সব ক্ষেত্রেই মেইকআপ ব্লেন্ডিং খুব জরুরি। ত্বকের সঙ্গে বেইজ যত ভালোভাবে মিশে যাবে ততই ‘ন্যাচারাল লুক’ আসবে। তারপর কমপ্যাক্ট পাউডার দিন। রাতের জমকালো অনুষ্ঠানে চাইলে ‘শিমার পাউডার’ ব্যবহার করতে পারেন।
—নাক একটু টিকালো দেখানোর জন্য নাকের দু’পাশে গাঢ় শেইডের কনসিলার দিয়ে উপরে লম্বা করে হালকা শেইডের কনসিলার দিন। একইভাবে চোয়ালের শেইপ ঠিক করে নিন। কনসিলার ছাড়াও ব্রোঞ্জিং পাউডার দিয়েও কনট্যুর ও হাইলাইট করা যায়।
—চাইলে চোখও হাইলাইট করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ঠোঁটের জন্য ‘ন্যাচারাল স্কিন কালার’ মানানসই।
—মোদ্দা কথা হল হালকা বা ভারী— সাজ যা-ই হোক, চোখ আর ঠোঁটের সাজ হবে বিপরীত।
—চোখের সাজে লাইনার, মাসকারা আর শ্যাডো ব্যবহার করা হয়। দিনের সাজে তিনটি একসঙ্গে ব্যবহার না করে যে কোনো দু’টি বা একটিতে সীমাবদ্ধ রাখা যেতে পারে। কাজল ও আইলাইনারের চেয়ে মাসকারা প্রাধান্য দিন।
—চোখের পাতা ঘন দেখালে আরও আকর্ষণীয় লাগবে চোখ। সেজন্য কাজল বা আইলাইনার টেনে দিতে পারেন। তিনটি একসঙ্গে কেবল রাতের সাজেই চলতে পারে।
—ঠোঁটে ম্যাট লিপস্টিক ব্যবহার করুন।
—ব্লাশন সব সময়ই হালকা হলে ভালো লাগে। এমনকি রাতের পার্টিতেও এখন গাঢ় ব্লাশনের চল নেই।
কিছু বিষয় মনে রাখুন:
* মেইকআপ তোলা বা চটজলদি রিটাচ করার জন্য ক্লিনজিং মিল্ক রাখুন।
* ত্বকের ধরন বুঝে নির্বাচন করুন কসমেটিকস।
* আবহাওয়ার সঙ্গে বদলে ফেলুন মেইকআপ কিটের সরঞ্জাম।
* কেনার সময় অবশ্যই ভালো ব্র্যান্ড দেখে কিনুন।
* একই সঙ্গে পণ্যের গুণগত মান ও মেয়াদ দেখে নিন।
* মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নামি কসমেটিকসও ত্বকের জন্য ক্ষতিকর।

Read »

How To Do Winter Makeup

 কিভাবে করবেন আপনার শীতের মেকআপ?

চেহারায় দীপ্তি ছড়ানোর মৌসুম এখন। জমকালো, স্টাইলিশ আর প্রাণজাগানো লুকের জন্য যতো এক্সপেরিমেন্ট, সেগুলোর বেশির ভাগই হতে পারে এই শীতে।
শীত সাজের ঋতু। এ আবহাওয়াতেই সাজতে ইচ্ছে করে। বিয়ে, পার্টি, নানা রকম অনুষ্ঠান লেগে থাকে এ মৌসুমে, সে ইচ্ছা পূরণের জন্যই তো, মেকআপ চাই। নিজেকে সুন্দর করে দেখাতে। বেসিক কিছু জিনিস জানা থাকলে এটা কঠিন কিছু নয়। নিজেই করা যায়। শুনেছি, অনেকের কাছে এ এক যন্ত্রণা। আসলে, এখানে একটা মজা আছে। যখন সাজবেন, সেটিকে বাধ্যতামূলক কোনো কাজ না ভেবে উপভোগ করুন। একটা খালি ক্যানভাসে ধীরে ধীরে ছবি ফুটিয়ে তোলার মতো। তাতে ভালো লাগবে, সুন্দরও হয়ে ওঠা যাবে। কারণ, মেকআপ আসলেই একরকম পেইন্টিং। যে যতো সুন্দরভাবে করতে পারেন, তা হবে ততোই নিখুঁত।
শীতের মেকআপ ট্রেন্ড সব সময়ই কিছুটা লাউড। ব্যবহৃত হয় উজ্জ্বল বেইজ, ঝলমলে শেড, গাঢ় লিপস্টিক আর ডিপ ব্লাশঅন। গলে পড়া বা নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় নেই বলে ম্যাটের পরিবর্তে ট্রেন্ডে উঠে আসে গ্লসি, শাইনি মেকআপ। সৌন্দর্যবিশেষজ্ঞদের ধারণা, নতুন এই বছরে আন্তর্জাতিক মেকআপেও প্রবলভাবে দেখা দেবে ডার্ক রঙের ব্যবহার।শীতকালীন মেকআপ বলে কথা! এতে গাঢ় রঙের ব্যবহারে সাজে কিছুটা এক্সপেরিমেন্ট করা যেতেই পারে। শুরুর আগে একটা ব্যাপার মাথায় রাখবেন। সেটি হলো, যতো সুন্দর করেই আপনি নিজেকে সাজান না কেন, সেটি সেট হবার জন্য প্রয়োজন সুস্থ ত্বক। না হলে কোনো মেকআপেই মানানসই মনে হবে না আপনাকে। শীতকালীন ত্বকের সুস্থতা নিয়ে আগেই বলেছি। তাই সেগুলো নিয়ে নতুন করে কিছু বললাম না।
সাজের সঙ্গে সময়েরও একটা সম্পর্ক আছে। দিন ও রাতের মেকআপ সব মৌসুমে আলাদা। দিনে হালকা আর রাতের জন্য জমকালো সাজ। তবে কিছুটা ব্যতিক্রম তো হতেই পারে। মুড এবং অনুষ্ঠানের ধরন বুঝে শীতদুপুরেও মাঝে মাঝে ভারী সাজ বেমানান মনে হবে না।
সাজের সঙ্গে সময়েরও একটা সম্পর্ক আছে। দিন ও রাতের মেকআপ সব মৌসুমে আলাদা। দিনে হালকা আর রাতের জন্য জমকালো সাজ।দুপুরে বা রাতে, যেকোনো সময়েই সাজের আগে অবশ্যই ভালোভাবে মুখ, ঘাড়, পিঠ পরিষ্কার করে নিন। ব্যবহার করুন অয়েল বেইজড ক্লিনজার। তৈলাক্ত ত্বক হলে বাড়তি তেল দূর করতে তুলায় করে সামান্য টোনার বুলিয়ে নিতে পারেন। মেকআপে বেইজ তৈরি করা সবচেয়ে জরুরি। গায়ের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে অয়েল বা ওয়াটার বেইজড ফাউন্ডেশন লাগান। ব্লেন্ড করুন ভালোভাবে। মুখে, গলায় ও ঘাড়ে সমানভাবে। এরপর কমপ্যাক্টের প্রলেপ দিন। শীতের দিনে ফ্রস্টিরঙা আইশ্যাডো খুব মানানসই। পেইল হোয়াইট, ক্রিম, আইসি পিঙ্ক, স্কাইÑ এসব রঙ। অবশ্য ইচ্ছে হলে, পোশাকের রঙের সঙ্গে মিলিয়েও বেছে নিতে পারেন শ্যাডো। তবে এ ট্রেন্ড কিছুটা সেকেলে হয়ে গেছে।
চোখের পাতায় যে রঙই ব্যবহার করুন না কেন, তার আগে স্কিন কালার আইশ্যাডোর ব্যবহার খুব জরুরি। দিনে চোখে স্মোকি ভাব না এনে কোণের দিকে সামান্য গাঢ় করে লাগাবেন। তাতেই ভালো লাগবে। আইব্রাও ব্রাশে ডিপব্রাউন শেডের রঙ মাখিয়ে ভ্রু আঁচড়ে নিন। এতে একধরনের নতুনত্ব আসবে। এরপর কাজল। আমি সব সময়ই কাজল ব্যবহারের পক্ষপাতী। কারণ, এর ব্যবহারে চেহারায় একটা নরম ভাব আসে। কাজলের হালকা রেখা টানুন চোখের নিচের পাতায়, আর উপরের পাতায় আইলাইনারের রেখা শুরু করুন সরু থেকে, শেষের দিকে সামান্য মোটা করে টেনে নিন।
ঘন করে মাশকারা লাগান। কমপক্ষে দুবার। অনেকেই গালে ব্লাশঅন লাগানো পছন্দ করেন না। এটি খুব জরুরি নয়, তবে চেহারায় তারুণ্য নিয়ে আসার জন্য ব্লাশঅন চমৎকার কাজ করে। তা ছাড়া এতে সাজকেও সম্পূর্ণ মনে হয়। কান থেকে গাল পর্যন্ত একটা কাল্পনিক রেখায় ব্রাশ টানুন। সব ধরনের ত্বকের রঙের সঙ্গে মানিয়ে যায় লাইট পিঙ্ক ও চেরির শেডগুলো। তারপর লিপস্টিক দিন। ঠোঁটের সঠিক শেপ পেতে লিপস্টিক ব্যবহারের আগে লিপপেন্সিল দিয়ে ঠোঁট এঁকে নেয়াটাই ভালো। লাইট অরেঞ্জ, ফুশিয়া, ডিপ পিঙ্ক, র্যাডিশ ব্রাউন থেকে বেছে নিন যেকোনো রঙ।
রাতের মেকআপ সব সময়ই জমকালো। এটি মূলত আলোর কারণেও জরুরি। হালকা ম্যাড়ম্যাড়ে সাজ বৈদ্যুতিক আলোতে ঠিক মানানসই মনে হয় না। চেহারায় বাড়তি উজ্জ্বলতা আনার জন্য মুখত্বক পরিষ্কার করে গোলাপজলে অল্প একটু তুলা ভিজিয়ে সারা মুখে বুলিয়ে নিন। তারপর আগের মতো বেইজ তৈরি করুন। ফাউন্ডেশনের উপরে ফেস পাউডার লাগান। পাফ দিয়ে বাড়তি পাউডার ঝেড়ে ফেলুন। জমকালো সাজের মূলমন্ত্র হলো খুব সুন্দরভাবে চোখ সাজানো। তাহলেই গর্জাস মনে হয় সাজ।
শীতের রাতে আইশেড হিসেবে আদর্শ হলো বাদামি বা সোনালি শেডের রঙগুলো। একসঙ্গে অ্যাকোয়া ব্লু ও গ্রে আইশ্যাডোও মিলিয়ে নিতে পারেন। হাইলাইটার হিসেবে দিন শাইনি মভ, সিলভার কালারের শেড। চোখের কোণে সিলভার হাইলাইটার স্মাজ করে দিন। চোখ ছোট হলে আইব্রাও পেন্সিলের রেখা চোখের একটু নিচ থেকে টানবেন। যাতে কিছুটা বড় দেখায়। মাশকারায় কালোর পরিবর্তে ব্যবহার করুন ব্ল্যাকিশ ব্লু, গ্রিন, বারগ্যান্ডি শেডের রঙ। কমপক্ষে দুই থেকে তিন পরত মাশকারা লাগাবেন চোখের পাতায়। পাপড়িগুলো ঘন এবং বড় দেখাবে। ইচ্ছে হলে ফলস আইল্যাশ ব্যবহার করতে পারেন।
তাতে আরও সুন্দর হয়ে উঠবে চোখ। ঠোঁটে আউটলাইন এঁকে রেড, বারগ্যান্ডি, ম্যাজেন্টা, ডিপ মভ জাতীয় গাঢ় রঙের লিপস্টিক লাগান। তার উপরে গ্লস বা গোল্ড হাইলাইটার ব্যবহার করতে পারেন। চকচকে লাগবে ঠোঁট। কপালে ছোট টিপ পরতে পারেন, সঙ্গে মানানসই হেয়ারস্টাইল। তবে চুল সিল্কি হলে ব্লো করে ছেড়ে রাখলেই মনে হয় বেশি ভালো দেখাবে। ব্যস, মানানসই পোশাক গায়ে জড়িয়ে এবার আপনি কোনো অনুষ্ঠানে কিংবা বেড়াতে যাবার জন্য তৈরি।

Read »

Different Makeup in Different Face Size...

 মুখের আকৃতি অনুযায়ী মেকআপের ধরণ

মেয়েদের বিভিন্ন ধরনের মেকআপ করতে হয় চেহারার ধাঁচের ওপর নির্ভর করে। কারণ সব ধরনের মেকআপ সবার চেহারায় মানানসই হয় না। চারকোণা মুখের আকৃতিতে গোলাকার মুখের জন্য মানানসই মেকআপ নিলে হবে না। এ জন্য বুঝতে হবে আপনার চেহারার ধরন এবং তার জন্য মানানসই মেকআপ পদ্ধতি। এখানে এমনই ৭টি মেকআপ কৌশল জানানো হলো আপনাদের।
১. ডিম্বাকার :
ওভাল আকৃতির চেহারায় কপালের অংশটি চিবুকের চেয়ে কিছুটা বিস্তৃত থাকে। এটি মেয়েদের আদর্শ চেহারার আকৃতি। তাই এতে ভারি মেকআপ দিয়ে ভিন্ন আকৃতি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। বরং আপনার সুন্দর ওভাল মুখের দুই পাশে ইংরেজি ‘3’ এর আকৃতি দিয়ে ব্রোঞ্জার মেকআপ করুন। কপাল থেকে শুরু করে চিবুকের উঁচু হাড় হলে চিবুকের নিচ পর্যন্ত এভাবে মেকআপ নিন।
২. আয়তাকার :
মেয়েদের ওবলং ধাঁচের চেহারার লম্বাটে ভাবটাকে একটু কমিয়ে আনা প্রয়োজন। এ জন্য চোয়ালের হাড় পর্যন্ত ব্রোঞ্জার ব্যবহার করুন। একটু বিস্তৃত করতে চিবুকের উঁচু অংশে ব্লাশ করুন। চিবুকের হাড়ের ওপরের দিকের অংশ হাইলাইট করুন। এতে চোখ দুইটি চেহারার মাঝামাঝিতে রয়েছে বলে মনে হবে।
৩. বর্গাকৃতি :
স্কয়ার মুখের চওড়া ভাবটাকে কমিয়ে ওভাল আকৃতি দিতে হবে। মেকআপ করবেন চিবুকের হাড়, নাকের দুই পাশ, চোয়াল হয়ে হেয়ার লাইন বরাবর। এ ছাড়া চোখে শার্প লাইন ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।
৪. গোলাকার :
রাউন্ড মুখে একটু লম্বাটে ভাব ছাড়াও কিছু ক্ষেত্রফল যোগ করা প্রয়োজন। চিবুকে কিছুটা ঘন মেকআপসহ ব্রোঞ্জার দিয়ে চোয়ালে বাঁক তৈরি করতে হবে। চিবুকের উঁচু হাড়ের কেন্দ্রের ঠিক ওপর থেকে পেছন বরাবর ব্লাশ করুন।
৫. হার্ট শেপ :
এ ধরনের মুখে চিবুকের হাড় বেশ বিস্তৃত থাকে। এর উঁচু অংশ থেকে হাড় বরাবর হালকা ব্লাশ করুন। এ আকৃতির মুখে ডিপ কালার লিপস্টিক ব্যবহার করতে পারেন।
৬. লম্বাটে চারকোণা :
এ ধরনের চেহারায় কপাল, চিবুক বেশ বড় থাকে এবং চোয়ালও বেশ শক্ত দেখায়। ওভাল চেহারার মতোই কপাল, চিবুকের হাড় ও চোয়াল পর্যন্ত ইরেজি ‘3’ আকৃতিতে ব্রোঞ্জার ব্যবহার করুন। ভ্রুতে ধনুকের মতো বাঁকা আকৃতি দিন।
৭. ত্রিভুজাকৃতি :
চোয়াল বরাবর ডাস্ট ব্রোঞ্জার ব্যবহার করুন। এতে চোয়ালের বিস্তৃতি কমে আসবে। ঠোঁটে রং ব্যবহারের সময় চকচকে লিপস্টিক এড়িয়ে নিউট্রাল রং ব্যবহার করুন।

Read »

Copyright © 2015 Beauty Tips

Designed by & Copy Blogger Themes